পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইসলাম

ছবি

ফেসবুকে অপ্রয়োজনে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করা ও তাদের সাথে চ্যাটিং করা কি জায়েয?

ছবি
ফ্রেন্ডশিপ মানে বন্ধুত্ব।যা একে অপরের প্রতি মহব্বত ও ভালবাসার নিদর্শন।কিন্তু ফেসবুকের যে ফ্রেন্ডশিপ হয়ে থাকে এর সাথে সত্যিকারের বন্ধুত্বের কোন সম্পর্ক নেই।এটি কেবল একটি বাহ্যিক বন্ধূত্ব।তবে অনেক সময় তা বাস্তবে রুপ নেয়। আমাদের ফেসবুককে দেখতে হবে অফলাইনের জীবনের অবস্থা অনুপাতে। অফলাইনে যেমন বেগানা নারীর সাথে অহেতুক কথা বার্তা,তাদের সাথে দেখা করা,তাদের ছবি দেখা হারাম তেমনি অনলাইনেও তা হারাম।অর্থাৎ অপ্রয়োজনে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করা ও তাদের সাথে চ্যাটিং করা   কোনটিই যায়েয হবে না। মহান আল্লাহ বলেন,আর তোমরা তাঁর অর্থাৎ রাসূল সাঃ এর স্ত্রীগণের থেকে কিছু চাইলে তা পর্দার আড়াল থেকে চাইবে।এটা তোমাদের অন্তরের জন্য ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ।সূরা আহযাব,আয়াত ৫৩। আবু হুরাইরা রাঃ হতে বর্ণিত। রাসূল সাঃ বলেছেন,চোখের জিনা হল দৃষ্টিপাত,কর্ণদ্বয়ের জিনা হল যৌন উদ্দীপক কথাবার্তা মনোযোগ সহকারে শোনা,জিহ্বার জিনা হল সুড়সুড়িমুলক কথপকথন,হাতের জিনা হল গায়রে মাহরমকে ধরা বা স্পর্শকরণ আর পায়ের জিনা হল খারাপ উদ্দ্যেশে চলা।সহীহ মুসলিম,২৬৫৭,মুসনাদে আহমাদ,৮৯৩২। লেখকঃ মোঃ আব্দুর রহমান ...

হে যুবক কাকে দেখে ক্রাস খাও?

ছবি
হে কাপুরুষ যুবক!! দুনিয়ার অর্ধ উলঙ্গ নারীকে দেখে তুমি ক্রাস খাও!!! অথচ মহান আল্লাহ জান্নাতে তোমার জন্য হুর তৈরি করে রেখেছে!! হুরদের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: মহান আল্লাহ হুরদের সৌন্দর্যের বর্ণনা করেছেন এভাবে.....তারা যেন হিরা ও মণিমুক্তা।(সূরা আর রাহমান-৫৮) তারা যেন সংরক্ষিত মণিমুক্তা(সূরা ওয়াকিয়া-২৩) তারা যেন সংরক্ষিত ডিম(সূরা সাফফাত-৪৯) রাসূল সাঃ বলেন,যদি জান্নাতি কোন মহিলা যমীনের দিকে উকি মারে তবে আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী স্থান আলোকিত হয়ে যাবে এবং সমগ্র পৃথিবী সূগন্ধিময় হয়ে যাবে।আর জান্নাতি মহিলার মাথার ওড়না দুনিয়া ও এর মধ্যে যা আছে তার চেয়ে উত্তম।(বুখারি) তারা হবে সোহাগিনী,সমবয়স্কা।অর্থাৎ তারা সৌন্দর্যশীলা,লাবন্যময়ী,সোহাগিনী এবং স্বামীর প্রতি আকৃষ্ট।(সূরা ওয়াকিয়া-৩৭) মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সমবয়স্কা যুবতি।(সূরা নাবা-৩৩) অতএব তোমরা তাকওয়া অর্জন কর। লেখকঃ মোঃ আব্দুর রহমান

শয়তান মানুষকে বিভিন্ন কারনে আত্নহত্যা করার জন্য প্রলুব্ধ করে।

ছবি
শয়তান মানুষকে বিভিন্ন কারনে আত্নহত্যা করার জন্য প্রলুব্ধ করে।বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে অনেকে প্রেম,ভালবাসায় ব্যর্থ হয়ে আত্নহত্যা করে বসে।তাই যে ব্যক্তি নিজের মধ্যে এ ধরণের কুচিন্তা অনুভব করবে তার কর্তব্য হলো নবী সাঃ এর বাণী স্মরণ করা এবং নিজের জীবনকে বিনাশ করা থেকে বিরত থাকা। আবু হুরায়রা রাঃ হতে বর্ণিত।তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,যে ব্যক্তি কোন ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্নহত্যা করবে জাহান্নামের মধ্যে সে অস্ত্র দ্বারা সে নিজের পেটে আঘাত করতে থাকবে,এভাবে তথায়   সে চিরকাল অবস্থান করবে।আর যে ব্যক্তি বিষপানে আত্নহত্যা করবে সে জাহান্নামে আগুনের মধ্যে অবস্থান করবে এবং বিষপান করতে থাকবে,এভাবে তথায় সে চিরকাল অবস্থান করবে।আর যে ব্যক্তি পাহাড় থেকে পড়ে আত্নহত্যা করবে,সে ব্যক্তি সর্বদা পাহাড় থেকে নিচে গড়িয়ে জাহান্নামে আগুনে পড়তে থাকবে,এভাবে সে ব্যক্তি তথায় চিরকাল অবস্থান করবে।(সহীহ মুসলিম,হা:৩১৩;তিরমিযী,হা:২০৪৩) লেখকঃ মোঃ আব্দুর রহমান

পর্দা কি শুধু নারীদের জন্য?

ছবি
শুধু নারীদের নয় নারী-পুরুষ উভয়কেই ইসলামে পর্দা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অথচ পুরুষরা ভাবে পর্দা তো মেয়েদের ভুষণ। আবার কিছু কিছু মেয়েরাও ছেলেদের ঠাট্টা করে বলে লজ্জা হলো মেয়েদের ভুষণ। লাজ্জাশীলতা পর্দার অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ বলেন,   অর্থঃ বলুন! ঈমানদার পুরুষদেরকে- তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের শালীনতা হেফাযত করে। এটা তাদেরকে আরো পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন করে তুলবে,আর আল্লাহ কিন্তু সব কিছুই জানেন যা তোমরা করো।(সুরা নুর,আয়াতঃ৩০) নারীদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, হে নবী ব লুন, ঈমানদার নারীদেরকে- তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানসমুহের সংরক্ষণ করে এবং তাদের দৈহিক সৌন্দর্য ও অলংকারের প্রদর্শন না করে,তবে অনিবার্যভাবে যা খোলা থাকে তা ব্যতীত। তারা যেন তাদের বক্ষের ওপরে চাদর ঝুলিয়ে দেয় এবং প্রদর্শন না করে তাদের সৌন্দর্য, তাদের স্বামী,তাদের পিতা, তাদের স্বামীর পিতা এবং সন্তানদের ব্যতীত।(সুরা নুর,আয়াতঃ৩১) লেখকঃ মোঃ আব্দুর রহমান

প্রচলিত জান্নাতে যাওয়ার একটি দোয়াঃ

ছবি
জান্নাতে যাওয়ার দোয়াটি একটিবার হলেও পড়ো এবং ২০ জনকে পাঠিয়ে দাও। তাহলে আগামি ৩ দিনের মধ্যে ভাল খবর শুনতে পাবে। দোয়াটি হলোঃ "বিসমিল্লাহি ওয়া'আলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ"।  আমরা এই মেসেজটা প্রায়ই পেয়ে থাকি।আবার অনেকে সওয়াবের আশায় এসব বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রচার করতেছে। অথচ এই দোয়াটি আদৌ জান্নাতে যাওয়ার দোয়া নয়। কেননা একটি হাদিসে এসেছে হিশাম ইবন আম্মার (র)……সায়ীদ ইবন মুসায়্যিব (র) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আমি ইবন উমর (রা) এর সঙ্গে এক জানাযায় উপস্থিত ছিলাম । যখন তিনি কব রে লাশ রাখেন তখন বলেনঃ বিসমিল্লাহি ওয়া আঁলা মিল্লাতি রাসূলিল্লাহ । কবরের উপর মাটি সমান করে দেওয়ার সময় আমি বললামঃ হে ইবন উমর! আপনি কি এ কথা রাসুলুল্লাহ (সা) থেকে শুনেছেন, না আপনার নিজের থেকে বলেছেন?তখন তিনি বললেনঃ আমি এরুপ বলার সামর্থ্য রাখি কেননা আমি একথা রাসুলুল্লাহ (সা) থেকে শুনেছি ।(সুনানে ইবন মাজা, হাদীস নং- ১৫৫৩) সুতরাং যেসব ব্যক্তি এই দোয়াকে জান্নাতের দোয়া বলেন তাদের এ কথা একেবারে ভিত্তিহীন আর যারা সওয়াবের আশায় এসব প্রচার করছে তারা নিঃসন্দেহে বিদআত করছে। কেননা দ্বীনের মধ্...

অন্ধ অনুসরণ

ছবি
হুজুর ইলম দিয়ে মানুষকে একদিকে যেমন বিভ্রান্ত করছে আবার আরেকদিকে মানুষকে খুশি করার জন্য ইচ্ছামত ফতোয়া দিচ্ছে। এছাড়াও কেউ আবার করছে হুজুর পুজা ,কেউ করছে শায়েখ পুজা আর কেউ করছে পীর পুজা । হুজুরকে রবের আসনে বসিয়ে ভাবছে হুজুর যা বলে সেটাই ঠিক। কুরআন-হাদিসে কি আছে সেটা দেখার প্রয়োজন মনে করে না। কেউ আবার ইমামকে পুজা করছে। সবাই যে দেখছি শিরকের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে অথচ মানুষ এটাকে গুরুত্বই দেয় না। মনে করছে আমার হুজুরই আমাকে শাফায়াত করবে, আমার ইমামই আমাকে শাফায়াত করবে!! আমার পীরই আমাকে শাফায়াত করবে। কখনোই না। কস্মিনকালেও এটা সম্ভব হবে না৷ যেখানে আদম আঃ থেকে শুরু করে মুহাম্মদ সাঃ ব্যতীত প্রত্যেকটি নবীই শাফায়াত করতে পারবে না সেখানে আপনার ইমাম হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম হাম্বলি,ইমাম মালেকি করবে শাফায়াত। আপনার হুজুর করবে শাফায়াত, আপনার পীর করবে শাফায়াত। আপনার ইসলামি স্কলার করবে শাফায়াত! যদি তারা শাফায়াতই করতে না পারে তাহলে কেন তাদের অন্ধ অনুসরণ করছেন? কেন তাদের পুজা করছেন? হুজুর যা বলে তাই ঠিক। কেন হুজুর কি ফেরেশতা নাকি!! ইমামদের অন্ধ অনুসরণ করছেন কেন? ইমামদের পুজা করা বন্ধ করুন...

বিচ্ছিন্ন আহলেহাদীছ

ছবি
প্রকৃত অর্থে কিছু আহলেহাদীছ আছেন যারা অতীত বর্তমান সর্বক্ষেত্রে বংশীয় আহলেহাদীছ। আর কিছু আহলেহাদীছ রা অতীত বর্তমান সর্বক্ষেত্রে সংগঠনের সাথে জড়িত আহলেহাদীছ।  যখন একজন মানুষ সংগঠনের ভিতর থাকেন তখন তারা নিজকে দাম্ভিকতার সাথে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে পারে না। নিজের প্রচার প্রচারণা করতে পারে না।  নিজের জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে না। বর্তমান সময়ে কিছু তথাকথিত আহলেহাদীছ যারা বিভিন্ন স্থানে মাহফিল এর আয়োজন করেন শুধুমাত্র নিজেদের ঢালাও ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য। তারা বলেন সংগঠন করা যাবে না।  কিন্তু তারা সংগঠনের বক্তা ছাড়া তাদের প্রোগ্রামে বক্তা খুঁজে পান না।  তারা সেই সংগঠনের মাসিক পত্রিকা পড়ে তা হতে বক্তব্য দেন। অথচ বলেন সংগঠন যারা করে তারা ইসলাম বুঝে না। তার একটি এলাকা তে ১০-১২ জন কে দাওয়াত দিয়ে নিজেদের বড় দায়ী ইল্লাল্লাহ মনে করতে শুরু করেন। এরপর তারা আর সংগঠনে প্রবেশ নিজেরাও করেন না এবং তাদের সাথের কাউকে প্রবেশ করতে দেন না।  কারণ যদি মানুষ কে সংগঠনের কথা বলে দিলে তাদের হাত থেকে তাদের বানানো মুরীদ গুলো ছুটে যাবে এই ভয়ে। তাদের যে নিজস্ব জনপ্রিয়তা প্রয়োজন কি...

মোবাইল ফোনের অপব্যবহার ও এর কুপ্রভাবঃ

ছবি
বর্তমানে মোবাইল ফোন 📱এর মাধ্যমে একদিকে যেমন উপকার সাধিত হয়েছে তেমনি অন্যদিকে এর অপব্যবহারের মাধ্যমে সমাজে দ্রুত ফেতনা সৃষ্টি হয়েছে। মোবাইল আবিষ্কাকের আগে চিঠির 📨 মাধ্যমে প্রেমালাপ করা হতো। তখন এই অবৈধ সম্পর্ক তেমন বিস্তার লাভ করিনি।কিন্তু এখন মোবাইলের 📱 মাধ্যমে দ্রুত অবৈধ সম্পর্কের বিস্তার ঘটেছে। ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহজেই এই অবৈধ সম্পর্ক বিস্তার লাভ করছে। ফলে যেনার মত পাপ সহজতর হয়েছে। এছাড়াও ইন্টারনেটে অশ্লীল ভিডিও এতটাই ছড়িয়েছে যে, ফেসবুক কিংবা ইউটিউব এ লগ ইন করলেই নগ্ন ছবি সামনে ভেসে ওঠে। একারনে অনেকেই পর্ন আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলছে যারা এসব পর্ন ছবি দেখে তাদের দেহে মাদকের মতো ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি হয়। ফলে তাদের মস্তিষ্কের এমন কিছু কোষ ধ্বংস হয়ে যায় যা তাদের ভাল-মন্দ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।                       তাছাড়াও অনেকেরই মোবাইলে গেমস খেলার প্রতি আগ্রহ রয়েছে। যা তাদের সময় ও টাকার অপচয় ঘটায়। এসব গেমস এর প্রতি আসক্তি এর ফলে মানুষের চিন্তা শক্তি কমে যায় ও বুদ্ধির বিকা...