সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইসলাম


বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা আমাদেরকে প্রকৃত অর্থে সম্পূর্ণভাবে ইসলামিক বিধান পালন করা সুযোগ করে দিচ্ছে কি?
আমরা যখন নিজেদের ঘর থেকে বের হয়ে  এই সমাজের  বাকি  আর দশজন মানুষের সাথে, ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা সমালোচনা সৌজন্যতা মুলক কথাবার্তাতে লিপ্ত তখন কি আমরা প্রকৃত অর্থে যে শালীনতা রেখে কথা বলা প্রয়োজন সেটা কি আমরাা করছি? আজকে আমাদের বাস্তব জীবনে প্রকৃত অর্থে প্রতিটি পদক্ষেপে ইসলামিক বিধান মেনেে চলছি? আমাদের প্রতিটি কার্যক্রমে আমাদের প্রতিটি চিন্তাভাবনা তে প্রকৃত অর্থে আমরা কি ত্বাকওয়া অবলম্বন করছি? আমাদের পারিবারিক জীবন যেখানে আমাদের বসবাস সেই স্থানে প্রকৃত ভাবে কি ইসলামচর্চা প্রতিনিয়ত হচ্ছে? আপনার স্ত্রী সন্তান বাবা মা বোন ভাই প্রত্যেকে কি ইসলামিক বিধান অনুযায়ী জীবন যাপন করে? এত প্রশ্নেের মাঝে আমার অবস্থানটা কোথায় আমি কি প্রকৃৃত অর্থে একজন আল্লাহভীরু মানুষ হতে পেরেছি? জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে ভেবেছি অনেক, কিন্তু সমাধান পেয়েছি সে মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতেে। সত্যিকার অর্থে আমার কোন ক্ষমতা নেই, কোন শক্তি নেই, আমি চাইলেও কোন কিছু করতে পারি না, আমি অত্যন্ত অসহায়  মাটির সৃষ্টি তবুও আমার মাঝে কিসের এত  দাম্ভিকতা? চোখের আলো নিভিয়ে অন্ধকার ঘরে থাকা যায় তেমনি একদিন একা কবরের সেই অন্ধকার ঘরে একা থাকা যাবে! কিন্তু আমি কি প্রস্তুত কিন্তু আমি কি যোগার করেছি সেই স্থানে যাওয়ার জন্য? কি আছে জমা সম্পদ? পড়াশোনা, চাকরি, ব্যবসা, পরিবার, সমজ ,রাষ্ট্র, এত ভাবনা, এত চিন্তা, এত কাজ, এত ব্যস্ততা, শুধুই চিন্তা নেই একটি বিষয় সেটি আখিরাত ব্যস্ত খুব, ব্যস্ত আজ, আমি খুব ব্যস্ত এই পৃথিবীতে রাখবে মনে আমাকে যখন রবো না এই দুনিয়াতে? ক্ষণিকের এই সময়ের মাঝে আমি এক মুসাফির ভালোবাসা মায়া চোখের অশ্রু সত্যিই কি এ বিষয়গুলো মনে থাকবে সেই বিচারের ময়দানে? তোমাদের অন্তরে একবারও কিি সেই ভয় উঁকি মারে না যে তোমাদের একদিন এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে? এখনো সময়় আছে নিজের জন্য কিছু আমল গুছিয়ে নেও আর তাই অতীতকে তুচ্ছ করে ফেলে দেও ডাস্টবিনে। এখানে শব্দ সুর গান ছবি দুনিয়াবি রং তামাশা কিছুই তোমাকে ভালবাসে না এগুলো তোমাকে মগ্ন করছে তোমার আমল থেকে দূরেে রাখতে। এই নারী এই ভোগ বিলাসিতা ধ্বংস করছে তোোোমার পরকাল। - হে মহৎ ব্যক্তি, তোমার হৃদয় কে জিজ্ঞেস করো সত্যি তুমি নিজের সাথে প্রতারণা করছো, তুমি আল্লাহ কে নও নিজেকে ঠকাচ্ছো। তুমিি জাহান্নামী হলে  কিছু যায় আসে না। তর্ক বাদ দাও, অনেক তর্ক করেছো সমাজের বাকি দশজনের সাথে তুলনা দেয়া বাদ দেও তাদের হিসেব তুমি দিবে না, তোমার হিসাব তারা দিবে না, তুমি কি চাও জাহান্নাম না জান্নাত সিদ্ধান্ত তোমার??? !!! সমাজ এর সিদ্ধান্ত দিবে না। সমাজের ৯০% মাানুষ সুদখর। সমাজের ৬০% মাানুষ হারাম নির্ভর আয় করছে, সমাজের ১০০% মানুষ হারাম হালাল মেনে চলছে না, সমাজের ১০০% মানুষ আখিরাত ভুলে চলছে, খ্রীষ্টান, ইহুদী, হিন্দু দের নিয়ম অনুযায়ী সংসার জীবন পালন করছে। তো কি হয়েছে একজন হিন্দুর তো সংসার করে? একজন খ্রিস্টান ও তো সংসার করে?! একজন মুসলিম তো সংসার করে তবে পার্থক্য কিিি? যেই মুসলিম এর ভিতরে- এই পার্থক্য   জ্ঞান নেই সে কি করে মুসলিম হয় সেটা বোধগম্য হয় নাহ- ইহুদী খ্রিস্টানদের মতো জীবন যাপন করে দাবি করো তুমি মুসলিম? 

-Muhammad Saleh Ahmed Shaon 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ফেসবুকে অপ্রয়োজনে মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করা ও তাদের সাথে চ্যাটিং করা কি জায়েয?

শয়তান মানুষকে বিভিন্ন কারনে আত্নহত্যা করার জন্য প্রলুব্ধ করে।

ভালবাসার শিরক কেমনে হয় জেনে নিন