পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০১৯ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অন্ধ অনুসরণ

ছবি
হুজুর ইলম দিয়ে মানুষকে একদিকে যেমন বিভ্রান্ত করছে আবার আরেকদিকে মানুষকে খুশি করার জন্য ইচ্ছামত ফতোয়া দিচ্ছে। এছাড়াও কেউ আবার করছে হুজুর পুজা ,কেউ করছে শায়েখ পুজা আর কেউ করছে পীর পুজা । হুজুরকে রবের আসনে বসিয়ে ভাবছে হুজুর যা বলে সেটাই ঠিক। কুরআন-হাদিসে কি আছে সেটা দেখার প্রয়োজন মনে করে না। কেউ আবার ইমামকে পুজা করছে। সবাই যে দেখছি শিরকের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে অথচ মানুষ এটাকে গুরুত্বই দেয় না। মনে করছে আমার হুজুরই আমাকে শাফায়াত করবে, আমার ইমামই আমাকে শাফায়াত করবে!! আমার পীরই আমাকে শাফায়াত করবে। কখনোই না। কস্মিনকালেও এটা সম্ভব হবে না৷ যেখানে আদম আঃ থেকে শুরু করে মুহাম্মদ সাঃ ব্যতীত প্রত্যেকটি নবীই শাফায়াত করতে পারবে না সেখানে আপনার ইমাম হানিফা, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম হাম্বলি,ইমাম মালেকি করবে শাফায়াত। আপনার হুজুর করবে শাফায়াত, আপনার পীর করবে শাফায়াত। আপনার ইসলামি স্কলার করবে শাফায়াত! যদি তারা শাফায়াতই করতে না পারে তাহলে কেন তাদের অন্ধ অনুসরণ করছেন? কেন তাদের পুজা করছেন? হুজুর যা বলে তাই ঠিক। কেন হুজুর কি ফেরেশতা নাকি!! ইমামদের অন্ধ অনুসরণ করছেন কেন? ইমামদের পুজা করা বন্ধ করুন...

বিচ্ছিন্ন আহলেহাদীছ

ছবি
প্রকৃত অর্থে কিছু আহলেহাদীছ আছেন যারা অতীত বর্তমান সর্বক্ষেত্রে বংশীয় আহলেহাদীছ। আর কিছু আহলেহাদীছ রা অতীত বর্তমান সর্বক্ষেত্রে সংগঠনের সাথে জড়িত আহলেহাদীছ।  যখন একজন মানুষ সংগঠনের ভিতর থাকেন তখন তারা নিজকে দাম্ভিকতার সাথে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে পারে না। নিজের প্রচার প্রচারণা করতে পারে না।  নিজের জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে না। বর্তমান সময়ে কিছু তথাকথিত আহলেহাদীছ যারা বিভিন্ন স্থানে মাহফিল এর আয়োজন করেন শুধুমাত্র নিজেদের ঢালাও ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য। তারা বলেন সংগঠন করা যাবে না।  কিন্তু তারা সংগঠনের বক্তা ছাড়া তাদের প্রোগ্রামে বক্তা খুঁজে পান না।  তারা সেই সংগঠনের মাসিক পত্রিকা পড়ে তা হতে বক্তব্য দেন। অথচ বলেন সংগঠন যারা করে তারা ইসলাম বুঝে না। তার একটি এলাকা তে ১০-১২ জন কে দাওয়াত দিয়ে নিজেদের বড় দায়ী ইল্লাল্লাহ মনে করতে শুরু করেন। এরপর তারা আর সংগঠনে প্রবেশ নিজেরাও করেন না এবং তাদের সাথের কাউকে প্রবেশ করতে দেন না।  কারণ যদি মানুষ কে সংগঠনের কথা বলে দিলে তাদের হাত থেকে তাদের বানানো মুরীদ গুলো ছুটে যাবে এই ভয়ে। তাদের যে নিজস্ব জনপ্রিয়তা প্রয়োজন কি...

মোবাইল ফোনের অপব্যবহার ও এর কুপ্রভাবঃ

ছবি
বর্তমানে মোবাইল ফোন 📱এর মাধ্যমে একদিকে যেমন উপকার সাধিত হয়েছে তেমনি অন্যদিকে এর অপব্যবহারের মাধ্যমে সমাজে দ্রুত ফেতনা সৃষ্টি হয়েছে। মোবাইল আবিষ্কাকের আগে চিঠির 📨 মাধ্যমে প্রেমালাপ করা হতো। তখন এই অবৈধ সম্পর্ক তেমন বিস্তার লাভ করিনি।কিন্তু এখন মোবাইলের 📱 মাধ্যমে দ্রুত অবৈধ সম্পর্কের বিস্তার ঘটেছে। ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সহজেই এই অবৈধ সম্পর্ক বিস্তার লাভ করছে। ফলে যেনার মত পাপ সহজতর হয়েছে। এছাড়াও ইন্টারনেটে অশ্লীল ভিডিও এতটাই ছড়িয়েছে যে, ফেসবুক কিংবা ইউটিউব এ লগ ইন করলেই নগ্ন ছবি সামনে ভেসে ওঠে। একারনে অনেকেই পর্ন আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছেন। বিজ্ঞানীরা বলছে যারা এসব পর্ন ছবি দেখে তাদের দেহে মাদকের মতো ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি হয়। ফলে তাদের মস্তিষ্কের এমন কিছু কোষ ধ্বংস হয়ে যায় যা তাদের ভাল-মন্দ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।                       তাছাড়াও অনেকেরই মোবাইলে গেমস খেলার প্রতি আগ্রহ রয়েছে। যা তাদের সময় ও টাকার অপচয় ঘটায়। এসব গেমস এর প্রতি আসক্তি এর ফলে মানুষের চিন্তা শক্তি কমে যায় ও বুদ্ধির বিকা...